আপনি মানুষের সমালোচনা করবেন। করবেন সমালোচনা নাম দড়া দরকার নাই। যদি নাম দরতে হয়। ইসলাম আল্লাহু আকবর কোরআনুল কারিমে ইহুদীদের সমালোচনা করেছেন। খ্রিষ্টানদের সমালোচনা করেছেন। তাদের প্রশ্নসহ করেছেন। ওদের ওটা ভালো এটা খারাপ।
আর আমরা মুসলমানরা আলেমদের সমালোচনা করি ধুয়ে ফেলিয়ে দেই। আর প্রত্যেকটা আলেমওলামরা এতো অশালিন, অশ্লীল ভাষায় এতো অভদ্রতা কথা বলে। আর যুবকরা এগুলো যেখন ইন্টারনেটে দেখে তখন তারা একটা জিনিস বিশ্বাস করে। দুনিয়ার সকল আলেম হুজুরগন দ্বীনের দাই সবাই ইন্ডিয়ার দালাল ভারতের দালাল শয়তানের দালাল। একমাএ ভালো হলো নাস্তিকরা। কোন হুজুরকে দেখেছেন ইন্টারনেটে নাস্তিকের বিরুদ্ধে কথা বলে।
জাকির নেয়েকের বিরুদ্ধে বলে। আহালে হাদিসের বিরুদ্ধে বলে। হানাফিদের বিরুদ্ধে বলে। আল্লামা শফিসাহেফদের বিরুদ্ধে বলে। কিন্তুু নাস্তিকদের বিরুদ্ধে বলে মানে ধর্ম ত্যাগিদের বিরুদ্ধে বলে না। এরকম হুজুর আপনে পাবেন না। এতে কিবোঝা গেল আলেমওলামরা সবাই ভারতের দালাল ইন্ডিয়ার দালাল হিন্দুদের, নাস্তিদের দালাল। ইহুদীদের ও খ্রিষ্টান দালাল শুদু মাএ নাস্তিক ও ইহুদী এরাই ভালো।
তো ভায়েরা এবাবে তো আমরা নিজেদের নফসে নিয়ে পরে থাকছি বটে। কিন্তু ইসলামের কোন উপকারে হচ্ছে না। কত দুরভ্যাগ না নবীজির সুন্নত পেলাম না আল্লার কাছে। কিছু নিতে পারলাম আপনার যদি সমালোচনা করার দরকার হয়। সবাইকে ভালো আমরা বলবো না।
আমরা যদি কারো কোনটা খারাপ লাগে খুব সহজে বলতে পারি ওমক ব্যক্তি দ্বীনের জন্য এই কাজ করেছেন। আমরা মনে করি আল্লাহ জন্য অনেক কাজ করেছেন। কিন্তুু আমরা মনে করি তার এই কাজটা ভুল আমরা আশা করি। তিনি হেদায়েত হবেন বরা যাবে না ভাই। আল্লাহ কোরআনের হুকুম মানুষের উপহাস না করা মানুষকে টিককারি না দেওয়া। কাউকে অভাগ্য না করা। কাউকে অপবাদ না দেওয়া আনতাজি কিছু না বলা। সনদেহ করে কোন দোষ না দেওয়া।
কিন্তুু দুরভ্যাগ আমরা সাহাবি তাবে তাবেইন আমাদের চার ইমাম এবং উম্মাতের যারা রাহাবার দিলেন। তাদের আদব গুলো পাইনেই শয়তানের আমাদের মন মকছ দখল করে নিয়েছেন।
লেকচার: ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ লেখক: মোঃ মেহেদী হাসান
Comments
Post a Comment