Skip to main content

Posts

Showing posts from December, 2021

যেভাবে অন্যের সমালোচনা করবেন? ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ

আপনি মানুষের সমালোচনা করবেন। করবেন সমালোচনা নাম দড়া দরকার নাই। যদি নাম দরতে হয়। ইসলাম আল্লাহু আকবর কোরআনুল কারিমে ইহুদীদের সমালোচনা করেছেন। খ্রিষ্টানদের সমালোচনা করেছেন। তাদের প্রশ্নসহ করেছেন। ওদের ওটা ভালো এটা খারাপ।  আর আমরা মুসলমানরা আলেমদের সমালোচনা করি ধুয়ে ফেলিয়ে দেই। আর প্রত্যেকটা আলেমওলামরা এতো অশালিন, অশ্লীল ভাষায় এতো অভদ্রতা কথা বলে। আর যুবকরা এগুলো যেখন ইন্টারনেটে দেখে তখন তারা একটা জিনিস বিশ্বাস করে। দুনিয়ার সকল আলেম হুজুরগন দ্বীনের দাই সবাই ইন্ডিয়ার দালাল ভারতের দালাল শয়তানের দালাল। একমাএ ভালো হলো নাস্তিকরা। কোন হুজুরকে দেখেছেন ইন্টারনেটে নাস্তিকের বিরুদ্ধে কথা বলে।  জাকির নেয়েকের বিরুদ্ধে বলে। আহালে হাদিসের বিরুদ্ধে বলে। হানাফিদের বিরুদ্ধে বলে। আল্লামা শফিসাহেফদের বিরুদ্ধে বলে। কিন্তুু নাস্তিকদের বিরুদ্ধে বলে মানে ধর্ম ত্যাগিদের বিরুদ্ধে বলে না। এরকম হুজুর আপনে পাবেন না। এতে কিবোঝা গেল আলেমওলামরা সবাই ভারতের দালাল ইন্ডিয়ার দালাল হিন্দুদের, নাস্তিদের দালাল। ইহুদীদের ও খ্রিষ্টান দালাল শুদু মাএ নাস্তিক ও ইহুদী এরাই ভালো। তো ভায়েরা এবাবে তো আমরা নিজেদের নফসে নিয়ে পরে...

ব্যক্তি ও সমাজের অবস্থান

যুক্তিবাদের যুগের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, মানুষ তাদের জীবন এবং চিন্তার জগতে সর্বোচ্চ অথরিটি দেয় সমাজকে। তাদের ধারণা ব্যক্তির প্রতিটি কথা এবং কাজ সমাজের অনুগামী হবে। তারা ধর্মকেও ততটুকই গ্রহণ করত, যতটুকু সমাজের সাথে খাপ খায়। মোটকথা সমাজকে তারা খোদার আসনে বসিয়ে দেয়। সমাজের মানুষেরা যা সঠিক বলবে  তাই সঠিক। আর তারা যা প্রত্যাখ্যান করবে, তা সঠিক নয়। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এসে এই দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাখ্যাত হয়। সমাজের পরিবর্তে তখন ব্যক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। আগে ভালে-মন্দের নীতিনির্ধারক ছিল সমাজ। অর্থাৎ প্রভুত্বের অথরিটি ছিল সমাজের। পরবর্তীকালে এই অথরিটি দেওয়া হয় ব্যক্তিকে। অবশ্য ইউরোপের বাইরে মুসলিম দেশগুলোর অনেক জায়গায় ব্যক্তির পাশাপাশি সমাজের উক্ত অবস্থান এখানে রয়েছে। সমাজ কী বলবে! সমাজ ভাণো বলবে না- এসব কথার আড়ালর এখানে অনেক ইসলামি বিধান প্রত্যাখ্যান করা হয়। মোটকথা, ইউরোপ সত্য-কথা, নৈতিকতা নিরূপণের ক্ষেএে সমাজকে সর্বোচ্চ অথরিটি দান করুক কিংবা ব্যক্তিকে, উভয় দুষ্টিভঙ্গির কেন্দ্রবিন্দু  একই-মানববাদ। উভয় ক্ষেএেই তারা মানুষকে সর্বোচ্চ অথরিটি দিচ্ছে, রবের আসনে বসাচ্ছে।

পরীক্ষা কি সন্তান দেয় নাকি মা-বাবা

 পরীক্ষার দিন সকালে গতরাতের ভাত কড়কড়া করে মা নাস্তায় দিলেন।বাবা বললেন 'পরিক্ষায় পাশটাশ করবি তো দেখিস'!।বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বাবা পকেট থেকে দুই টাকা বের করে হাতে দিলেন।অন্য সময় হলে ভুলেও দিতেন না।বের হচ্ছি মা বললেন 'রাস্তাঘাট দেখে পার হোস বাবা, আর তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরবি কিন্তু'।হার্ডবোর্ড বুকে জড়িয়ে আসমা, রোজিনার সাথে পরিক্ষা দিতে গেলাম। পরিক্ষা শেষে দুই টাকা দিয়ে ভুট্টা চাবাতে চাবাতে বাড়ি ফিরলাম। এই ছিলো আমাদের পরীক্ষার হালচাল। কিন্তু আজকাল পরিক্ষার দিন ঘনিয়ে আসলে দেখতে পাই সন্তানের চেয়ে মা বাবা উদ্বিগ্ন।বাবা মা পরীক্ষা দিতে যাবে।পরীক্ষার আগের রাত থেকে তাদের টেনশান শুরু হয়।অনেক পিতামাতা ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করেন না। সন্তান পরীক্ষা দিয়ে এসে সন্তোষজনক উত্তর দিলে তখন তৃপ্তি করে এক গ্লাস পানি গিলেন।তারপর আরেক পরীক্ষার প্রহর গুনতে থাকেন। বাবা মা'র এই উদ্বিগ্ন এবং বাড়তি চাপ সন্তানের ওপর ভর করে।পরীক্ষা অন্যদিকে পিতামাতার উদ্বিগ্নতা তাদেরকে আরোও চাপে ফেলে। তখন সন্তানের কাছে পরিক্ষা আর পরিক্ষা থাকে না।পরীক্ষা নামক বস্তু জগদ্দল পাথরের মত বুকের ওপর চেপে বসে।একটি করে পরীক্ষা শেষ...